পেকুয়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মারা গেলেন ননদ-ভাবি, ছিটকে পড়লো কোলের শিশু

পেকুয়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মারা গেলেন ননদ-ভাবি, ছিটকে পড়লো কোলের শিশু

বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন গৃহবধূ ফাতেমা বেগম (৩২)। ওই সময় ভাবী রেজিয়া বেগমেরও মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয় দেড় বছরের শিশু পুত্র বাবু।

ফাতেমা বেগম ও বাবু পেকুয়া উপজেলার টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল হোসেনের স্ত্রী-পুত্র।

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বাঁশখালী চাম্বল এলাকায় মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত বাবুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, ওইদিন দুপুরে রেজিয়া বেগম বাড়িতে বিদ্যুতের সংযোগ বোর্ডে সুুইচ চাপার সময় তারে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ফাতেমা বেগম তাকে উদ্ধার করতে চাইলে তিনিও বিদ্যুৎ ষ্পৃষ্ট হন। এ সময় দু’জনই ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান। শিশু সন্তান বাবু সে সময় মায়ের কোলে ছিল। সে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

জানা যায়, ফাতেমা ও রেজিয়া দু’জনই সম্পর্কে চাচাতো ননদ-ভাবি।

এদিকে রাতে ফাতেমার মরদেহ টইটং পশ্চিম হিরাবুনিয়া শ্বশুড় বাড়িতে পৌঁছলে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একনজর শিক্ষকপতœীর লাশ দেখতে শত শত নারী পুরুষ জড়ো হন। রাত সাড়ে ৮টায় ফাতেমার লাশ দাফন করা হয়।

ফাতেমা তিন সন্তানের জননী। তিনদিন আগে ফাতেমা চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল এলাকায় বাপের বাড়িতে বেড়াতে যান।