গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি এখন পাখির অভয়ারণ্য

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি এখন পাখির অভয়ারণ্য। ফাঁড়ির স্বপ্নবান পুলিশের এসআই বদরুল আলম পুলিশ ফাঁড়ির টিনসেট ভবন ও গাছে পাখিদের বাসযোগ্য করে গড়ে তুলেছেন। গাছে গাছে গড়ে তুলেছেন পাখির কৃত্রিম আবাসস্থল। তাই দেখা মিলছে চড়ুই, শালিক ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির।

গর্জনিয়া বাজারের পূূর্বপাশে অবস্থিত ১৯৩৯ ইংরেজি সালে স্থাপিত এই পুলিশ ফাঁড়ি এখন ‘পাখির গ্রাম’ নামেই পরিচিত হয়ে উঠছে।

খাঁচায় বন্দি করে নয়, ভবনের দেওয়ালে, গাছের ডালে মাটির ছোট কলস বসিয়ে পাখিদের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে আবাসস্থল। নির্ভয়ে বাস করছে দেশীয় প্রজাতির নানা পাখি।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি এখন পাখির অভয়ারণ্য

কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মিয়াজির পাড়া গ্রামে অবস্থিত গর্জনিয়া পুলিশের ছোট এই কর্মকর্তা বদরুল আলম পুলিশ ফাঁড়ির এক সহকর্মী মিলে শুরু করেন পাখি রক্ষার কাজ।

পরে তাদের সাথে যোগ দেন অন্য পুলিশ সদস্যরাও। তাই পাখির কলরবে নিরাপদ আশ্রয় থাকায় বাড়ছে পাখির সংখ্যা। পুলিশের এই পাখিবান্ধব ছোট কর্মকর্তার এ উদ্যোগ এলাকার যুব সমাজকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা গ্রামবাসির।