চকরিয়া

বাড়িতে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা!

বন্ধুদের ডেকে নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করলেন বাবা!

কক্সবাজারের বৃহত্তর উপজেলা চকরিয়ায় বাড়িতে ঢুকে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণ চেষ্টাকারিদের হাত থেকে উদ্ধার করতে গিয়ে মারধরে আহত হয়েছেন ওই স্কুলছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এই ঘটনায় চকরিয়া থানায় এজাহার দেয়া হয়েছে।

উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামে শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংঘটিত ওই ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে।

এজাহারে বলা হয়, মালুমঘাট আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে (১৪) স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্ত করতো একই এলাকার এক বখাটে। ঘটনার দিন সকালে ওই ছাত্রীকে ডুমখালীর বসতবাড়িতে রেখে পরিবারের লোকজন একটি বিয়ে অনুষ্ঠানে খুটাখালী যান। এসময় একা পেয়ে আসামিরা তার বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তাৎক্ষণিক এ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ফিরে এসে কিশোরী ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।

এজাহারে দাবি করা হয়, ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করতে গেলে আসামিরা (ধর্ষণ চেষ্টাকারিরা) লাঠি দিয়ে আঘাত করায় স্কুলছাত্রী ও তার পরিবারের লোকজন জখম হন। তাদের শোরচিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

সূত্র মতে, স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ছাত্রীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

ওইদিন ভিকটিমের নানী ডুমখালী এলাকার শফিউল আলমের স্ত্রী জাহেদা বেগম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় এজাহার জমা দিয়েছেন।

ওই এজাহারে যাদের আসারি করা হয়েছে তাদের মধ‌্যে আছে ডুমখালী গ্রামের জাকের আহমদের ছেলে আহামদু (২৬), ছগির আহমদের ছেলে আবদুর রহিম (২৮), নুরুল আলমের ছেলে মোঃ আবছার (২৬) ও জাকের আহমদের ছেলে জলু উদ্দিনসহ (১৯) অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন।

মালুমঘাট আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক জানান, বিষয়টি তিনি খবর নিয়ে দেখবেন। তবে এখনো পর্যন্ত তাকে কেউ জানাননি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ডুলাহাজারায় এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা ও মারধর সংক্রান্ত বিষয়ের একটি এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।