মালয়েশিয়ায় পাচার করতে ১৭ রোহিঙ্গা যুবককে আনা হয়েছিল কুতুবদিয়া পাড়ায়

মালয়েশিয়ায় পাচার করতে ১৭ রোহিঙ্গা যুবককে আনা হয়েছিল কুতুবদিয়া পাড়ায়

কক্সবাজার পৌর এলাকার ১ নাম্বার ওয়ার্ডের কুতুবদিয়া পাড়ার মোস্তাইক্যাপাড়া থেকে মালয়েশিয়াগামি ১৭ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সিকান্দরের স্ত্রী রোকসানার ঘরে এসকল মালয়েশিয়াগামী রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দালালরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ধরতে পারেনি পুলিশ।

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান ও পরিদর্শক (অপারেশন) মাঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে উৃপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফ উল্লাহ এই অভিযান চালান।

গত মঙ্গলবারও একই এলাকা থেকে নারীসহ আরও ৪ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছেন, কুতুবদিয়া পাড়ার চিহ্নিত মানব পাচারকারি একরামুল হক ও আবদুল কাদেরের নেতৃত্বে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় মানবপাচার শুরু হয় প্রায় দেড়মাস আগে। তবে ইতিপূর্বে পাচারের জন্য টার্গেট বাংলাদেশি হলেও এবারের টার্গেট হয়ে উঠেছে শুধুই রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ।

সূত্রগুলোর দাবি, শুক্রবার সমিতিপাড়া এলাকার হোসনে আরা বেগমের বাড়িতে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে ১৭ জন রোহিঙ্গাকে এনে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে মোস্তাক পাড়া এলাকায় রোকসানার বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। খবরটি প্রচার হলে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আরমান খাঁনের নেতৃত্বে ওই বাড়িটি ঘিরে রেখে থানা প্রশাসনকে খবর দেন স্থানীয়রা।

কক্সবাজার সদর থানা সূত্র মতে, খবর পেয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের নির্দেশে দুই পুলিশ পরিদর্শক ও এসআই আরিফ উল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ১৭ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেন।

ককক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকার সাংবাদিকদের জানান, এলাকাবাসীর দেয়া খবরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১৭ জন রোহিঙ্গা যুবককে উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃতদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, ‍উদ্ধার হওয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মানবপাচারে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।