মেয়র মুজিবও শিশুর মুখে তুলে দিলেন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

মেয়র মুজিবও শিশুর মুখে তুলে দিলেন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

সারাদেশের মতো কক্সবাজার পৌর এলাকাসহ পুরো জেলাজুড়ে ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হয়েছে। সকাল ১১টার দিকে শহরের রুমালিয়ারছড়াস্থ সুর্যের হাসি ক্লিনিকে পৌর এলাকার ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মেয়র মুজিবুর রহমান।

মেয়র মুজিবুর রহমান নিজেই শিশুর মুখে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

এদিকে উদ্বোধনের পর পৌর এলাকায় ৩১ হাজার ৫০০ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পৌরসভার স্বাস্থ্য সহকারী রনি দত্ত।

এছাড়াও সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে জেলাজুড়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে কাঁচি দিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভিতরে থাকা সবটুকু তরল ওষুধ চিপে খাইয়ে দেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তবে ৬ মাসের কম বয়সী, ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হয়নি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, কক্সবাজার জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৫৪ হাজার ১৮৪ জন শিশু ‘নীল রঙ’ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৯১ হাজার ৬৩০ জন শিশুকে ‘লাল রঙ’ এর ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

মারাত্মক অসুস্থ ছাড়া ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী যে কোনো শিশু ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেতে পারবে। শিশুদের ভরপেটে ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

জেলায় স্থায়ী ৯টি, অস্থায়ী ১৮৪০টি, ভ্রাম্যমান ২৭টি ও অতিরিক্ত ৭৫ টি টিকাদান কেন্দ্র ছিলো। সব মিলিয়ে ১৯৫২টি কেন্দ্রে ২৩৫ জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ করেন।

এছাড়াও ২১১ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী, ৫৪০৭ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ২১৯ জন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োজিত ছিলেন।

৯০ শতাংশ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ আবদুল মতিন।

তিনি বলেন, অন্ধত্বের হার কমানো ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রতি বছর জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কর্মসূচি গ্রহণ করে।

ইতিপূর্বে ৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় সিভিল সার্জন এসব তথ্য জানান।