চকরিয়ায় বন্দুক ও কার্তুজ উদ্ধার, দুই সন্ত্রাসীকে ধরলো পুলিশ


কক্সবাজারের বৃহত্তর উপজেলা চকরিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুটি বন্দুক ও চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধঅর করা হয়েছে। ওই সময় দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) ভোর রাতে উপজেলার খুটাখালী ও ডুলাহাজারা ইউনিয়নের দুটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে ফেরার আসামী আরফাতুর রহমান প্রকাশ সোনা মিয়া (৩৬) ও শ্বশুরবাড়ি থেকে মো.হাসান (২৬) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া দুই সন্ত্রাসী হলেন- চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডস্থ কালা পাড়ার সিরাজ মিয়ার ছেলে আলফাতুর রহমান প্রকাশ সোনা মিয়া ও টেকনাফ উপজেলার হৃীলা ইউনিয়নের জাদি মোরা এলাকার মৃত উলা মিয়ার ছেলে মো.হাসান। ধৃতদের মধ্যে আরফাতুর লামা থানার এশটি চাঁদাবাজি মামলার পলাতক আসামী। তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুক ও চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়।
টেশনাফের হাসানকে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রংমহল আলী বাপের জুম এলাকাস্থ শ্বশুর মঞ্জুর আলমের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষের আলমিরার পিছন থেকে দেশীয় তৈরী একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করে পুলিশ।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গোপন সুত্রে খবর পয়ে পুলিশের দুটি দল ভোর রাত ১২ট থেকে দেড়টা পর্যন্ত খুটাখালী ও ডুলাহাজারায় অভিযান চালায়। কালাপাড়ায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরফাতুর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়।
অপরদিকে, টেশনাফের সন্ত্রাসী হাসান অবৈধ অস্ত্র নিয়ে অপরাধ কর্মকান্ড করতে চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নেয়। সোর্স থেকে খবর পেয়ে তাকে আটক করার পর প্রথমে অস্ত্রের সন্ধান দেয়নি। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর অস্ত্র লুকিয়ে রাখার স্থান দেখিয়ে দিলে বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া দুইজনে বিরুদ্ধে থানার দুই এসআই বাদি হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন।