‘গোপন বৈঠকে’ যাননি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান

‘গোপন বৈঠকে’ যাননি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান

‘গোপন বৈঠকে’ যাননি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের বিজয়ী করতে ‘গোপন বৈঠক’ করার অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবাদপত্র দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এতে বলা হয়, কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান ওইদিন অফিসার্স ক্লাবে যাননি। তাকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে।

রোববার প্রাধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবের একান্ত সচিব আবু নাইম মোহাম্মদ মারুফ খানের স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদপত্রে এ কথা জানানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, শনিবার (২৪ নভেম্বর) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন যে, ২০ নভেম্বর রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চারতলার পেছনের কনফারেন্স রুমে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে এক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, ‘২৪ ও ২৫ নভেম্বর প্রকাশিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় প্রশাসন ও পুলিশের কিছু দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ‘ভোট নিয়ে ভয়ঙ্কর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০ নভেম্বর রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে একটি গোপন বৈঠক হয়’ মর্মে অভিযোগ করেন।’

‘তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানকে জড়িয়ে যে তথাকথিত বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও কল্পনাপ্রসূত। কেননা সংবাদের যে তারিখ ও সময়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই তারিখ ও সময়ে তিনি অফিসার্স ক্লাবেই যান নাই। অথচ তাকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে, যা তার সুনাম ও সম্মানের জন্য হানিকর।’

এতে আরও বলা হয়, ‘তিনি (সচিব) মনে করেন, অসত্য বক্তব্য দিয়ে দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অধিকর কারও নেই। এ ধরনের অসত্য বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন।’