শহর জামায়াতের দোয়া ও মোনাজাত কর্মসূচি

‘রহিমুল্লাহ ছিলেন একজন সাচ্চা ঈমানদার’

‘গায়েবী’ মামলায় সুপ্রিমকোর্টে আগাম জামিন পেলেন জিএম রহিম উল্লাহ

‘গায়েবী’ মামলায় সুপ্রিমকোর্টে আগাম জামিন পেলেন জিএম রহিম উল্লাহ

কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জিএম রহিমুল্লাহর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেছে কক্সবাজার শহর জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) জুমার নামাজ শেষে পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডসহ শহরের বিভিন্ন মসজিদে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। ওই কর্মসূচিতে কক্সবাজার শহর জামায়াতের নেতা-কর্মীসহ সর্বস্থরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

মোনাজাত পূর্ববর্তী আলোচনায় নেতারা বলেন, জিএম রহিমউল্লাহ ছিলেন একজন সদালাপী, দায়িত্বপরায়ণ, সৎ, সাহসী জনপ্রতিনিধি। ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে একনিষ্ঠ, অকুতোভয় সৈনিক ও আদর্শ রাজনীতিবিদ।

তারা বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত তিনি ইসলাম ও দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। ইসলাম ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

দেশের এই সংকটকালে তাঁর মতো একজন ত্যাগী নেতার ইন্তেকালে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন জামায়াত নেতারা। তাদের মতে, ইসলাম, দেশ ও জনগণের জন্য জিএম রহিমুল্লাহর গৌরব উজ্জ্বল ভূমিকা জাতি চিরকাল মনে রাখবে।

তারা আরও বলেন, জি এম রহিমুল্লাহ ছিলেন একজন সাচ্চা ঈমানদার লোক। তিনি একাধারে রাজনৈতিক নেতা, নিষ্ঠাবান সমাজকর্মী ও নির্লোভ ব্যক্তি। ইউপি চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যন্ত তাকে অনিয়ম-দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারেনি। তাকে হারিয়ে শুধু জামায়াত নয়, কক্সবাজারবাসি একজন সম্পদ হারিয়েছে।

মোনাজাতে মরহুমের আতœার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও শোকাহত স্বজনের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।