সোনাদিয়ার প্যারাবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মরলো কুতুবদিয়ার জলদস্যূ মানিক

সোনাদিয়ার প্যারাবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মরলো কুতুবদিয়ার জলদস্যূ মানিক

সোনাদিয়ার প্যারাবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মরলো কুতুবদিয়ার জলদস্যূ মানিক

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর সোনাদিয়া প্যারাবনে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আবুল হাসান মানিক (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। র‌্যাব দাবি করেছে, নিহত মানিক একজন চিহ্নিত জলদস্যু।

সোমবার ভোর রাতে (১৯ নভেম্বর) সোনাদিয়া প্যারাবনে র‌্যাবের সাথে জলদস্যূদের ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এই ঘটনা ঘটে। সূত্র মতে, ঘটনাস্থলেই আবুল হাসান মানিক মারা যান। মানিক আরেক দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার করলা পাড়া গ্রামের লেদু মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব জানিয়েছে, ‘বন্দুকযুদ্ধে’র পর জলদস্যুর লাশের পাশে ২টি দেশে তৈরি বন্দুক, ৮ রাউন্ড তাজা কার্তূজ ও ৬টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

কক্সবাজার র‍্যাব ও মহেশখালী থানা সুত্র মতে, সোনাদিয়া দ্বীপে একদল জলদস্যু সাগরে দস্যুতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবরে অভিযান চালায় র‌্যাবের একটি চৌকষ দল। জলদস্যুরা র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়তে শুরু করে। তারা গুলি ছুড়তে ছুড়তেই গহীন প্যারাবনের দিকে চলে যায়। র‍্যাবও ওই সময় আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

র‌্যাবের কক্সবাজার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো. মেহেদী হাসান জানান, গোলাগুলির পর ঘটনাস্থলে জলদস্যু অাবুল হাসান মানিককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তার পাশে পড়ে ছিল দেশে তৈরি অস্ত্র ও গোলা-বারুদ।

তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ মানিককে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওখানেই সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মানিক মারা যায়।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধরও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, থানার এসআই পংকজ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।