সমুদ্র শহরের গর্ব

বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে অসাধারণ সেঞ্চুরি মুমিনুলের

বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে অসাধারণ সেঞ্চুরি মুমিনুলের

বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে অসাধারণ সেঞ্চুরি মুমিনুলের

বাংলাদেশের লিটল মাস্টার কিংবা বাংলাদেশের ব্র্যাডম্যান- কত নামেই না তাকে ডাকা হয়। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের গড়ও তার। সেই মুমিনুলের ব্যাট যখন কথা বলে, তখন হাসে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা। কিন্তু তার ব্যাট কিছুদিন ছিল নিষ্প্রভ। বাংলাদেশও পাচ্ছিল না কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

গত আটটি ইনিংসে সেঞ্চুরি দূরে থাক, মুমিনুলের ব্যাটে হাফ সেঞ্চুরির দেখাও নেই। সর্বোচ্চ রান ৩৫। সেই অবস্থায় মুমিনুলের নিজের যেমন ঘুরে দাঁড়ানো খুব প্রয়োজন ছিল, তেমনি দলেরও প্রয়োজন ছিল তার ব্যাটে রান।

সেই অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজটিই করে ফেললেন দারুণ বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে। ২৬ রানের মধ্যেই যখন টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ, তখন সিলেটের শঙ্কাই পেয়ে বসেছিল আবার। সে অবস্থা থেকে বাংলাদেশকে সঠিক পথে ফেরানোর জন্য একটি জুটির খুব প্রয়োজন ছিল। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহীমকে নিয়ে সে কাজটাই করে দেখালেন মুমিনুল।

দারুণ বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে শুধু উইকেটে অটলই থাকেননি, দৃঢ়তার সাথে ব্যাটিং করে দলের রানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন মুমিনুল হক। ১৫০ বল খেলে ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছান বাংলাদেশের এই টেস্ট স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান।

মুমিনুল শুধু অসাধারণ সেঞ্চুরিই করেননি। মুশফিকের সঙ্গে জুটিটাও পার করেছেন ২০০ রান। এ রিপোর্ট লেখার সময় মুমিনুল অপরাজিত রয়েছেন ১২৫ রানে এবং মুশফিকুর রহীম অপরাজিত রয়েছেন ৮০ রানে। বাংলাদেশের রান ৩ উইকেট হারিয়ে ২২৬।

প্রসঙ্গত, মুমিনুল হক সৌরভ সমুদ্র পাড়ের ছেলে। তিনি পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বাসিন্দা।