৩ অস্ত্র ১৫০০০ ইয়াবা উদ্ধার

এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রাণ দিল হ্নীলার শাহীন

এবার 'বন্দুকযুদ্ধে' প্রাণ দিল হ্নীলার শাহীন

এবার 'বন্দুকযুদ্ধে' প্রাণ দিল হ্নীলার শাহীন

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আবারও এক যুবকের প্রাণ গেছে। পুলিশ দাবি করছে, জিয়াউল বশির শাহীন (৩২) নামের ওই যুবক একজন তালিকাভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী।

নিহত শাহীন হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম সিকদার পাড়ার ছৈয়দ আহমদ ওরফে ছৈয়দুর ছেলে।

পুলিশ সূত্র মতে, শনিবার (১০ নভেম্বর) ভোর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার হ্নীলা দরগা পাড়া সংলগ্ন আশ্রয় কেন্দ্র এলাকায় ‘ইয়াবা কারবারী দুই গ্রুপে’র মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’র খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ইয়াবা কারবারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে তারা পিছু হটে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে এক যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়।

এবার 'বন্দুকযুদ্ধে' প্রাণ দিল হ্নীলার শাহীন

ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে ৩টি দেশে তৈরি অস্ত্র, ১৮ রাউন্ড বুলেট, ১৩টি খোসা ও ১৫ হাজার পিস ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল আজিজ (২৩), মেহেদী হাসান (২১) ও হেলাল (২২) নামের তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করছে পুলিশ।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, এঘটনায় পুলিশের উপর হামলা, ইয়াবা ও অবৈধ অস্ত্রসহ পৃথক মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ মরদেহ থানায় আনার পর পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

তবে টেকনাফ মডেল থানার পরির্দশক (তদন্ত) এবিএমএস দোহা বলেন, শুক্রবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে হ্নীলা স্টেশন মসজিদের সামনে এক মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। ওই সময় পালানোর চেষ্টাকালে জিয়াউল বশর শাহীনকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার ভোর রাত আড়াইটার দিকে তাাকে নিয়ে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে ওই এলাকায় যায় পুলিশ।

তার দাবি, ওই সময় একদল সন্ত্রাসি পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণ করলে পুলিশও জানমাল রক্ষায় পাল্টা গুলি চালায়। কিছুক্ষণ পরে সেখান থেকে সন্ত্রাসিরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাহীনকে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।  হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহীনের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, বলেন পুলিশ কর্মকর্তা দোহা।

তিনি আরও জানান, নিহত শাহীনের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ৭টির বেশি মামলা রয়েছে। সে একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী।