আবর্জনা চোখে পড়লেই পরিচ্ছন্নকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মুজিবের

আবর্জনা চোখে পড়লেই পরিচ্ছন্নকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মুজিবের

আবর্জনা চোখে পড়লেই পরিচ্ছন্নকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মুজিবের


কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেছেন, ‘পর্যটন নগরীকে সবসময় সুন্দর রাখার দায়িত্ব পরিচ্ছন্নকর্মীদের। কারণ এখানে প্রতিনিয়ত দেশী-বিদেশী হাজারো পর্যটক ভ্রমনে আসেন। তাই ভিনদেশী অতিথিদের কাছে এটি যেন ‘পরিচ্ছন্নতায় মডেল পৌরসভা’ হিসেবে সুনাম অর্জন করে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখবেন-আপনারা পৌরসভাকে সুন্দর রাখার দায়িত্ব নিবেন, আমি আপনাদের সব দায়িত্ব নিবো।’

পাশাপাশি যে যার অবস্থান থেকে ময়লা-আবর্জনা পরিস্কারে নিজেদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে যদি কেউ অবহেলা করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন মেয়র মুজিব।

সোমবার দুপুরে পৌর ভবন সংলগ্ন ব্যাডমিন্টন মাঠে পরিচ্ছন্নকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় আগামি ১৭ নভেম্বর সকালে মেয়রের নেতৃত্বে পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাথে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর কর্মসূচী ঘোষণা করেন পৌর পিতা।
এতে সকলের অংশগ্রহণমূলক উপস্থিতির মধ্যদিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে সফল করার অনুরোধ জানিয়েছেন মেয়র মুজিবুর রহমান।

এসময় প্যানেল মেয়র-২ হেলাল উদ্দিন কবির, প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আক্তার পাখি, কাউন্সিলর আক্তার কামাল আজাদ, মিজানুর রহমান, মো. দিদারুল ইসলাম রুবেল, সাহাব উদ্দিন সিকদার, ওমর ছিদ্দিক লালু, আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামশেদ, রাজবিহারী দাশ, সালাউদ্দিন সেতু, নুর মোহাম্মদ, কাজী মোরশেদ আহম্মদ বাবু, সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর ইয়াছমিন আক্তার, জাহেদা আক্তার, নাছিমা আক্তার, পৌরসভার সচিব রাছেল চৌধুরী, সহকারী প্রকৌশলী বাবুল, মেয়র পিএ রূপনাথ চৌধুরী নাচ্চু ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম, কনজার্ভেন্সী পরিদর্শক কবির হোসাইনসহ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে উপস্থিত ৪ শতাধিক পরিচ্ছন্নকর্মী মেয়রের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। একই সাথে র‌্যাফেল ড্র’র আয়োজনও ছিলো বেশ চোখে পড়ার মতো। এর আগে কয়েকজন অস্বচ্ছল পরিচ্ছন্নকর্মীকে পৌরসভার পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেন মেয়র।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার পৌরসভায় বর্তমানে ১৫৭ জন লেবার ও সুইপার রয়েছে ১৩৭ জন। যারা প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন।

এ কাজের জন্য মেয়রের দায়িত্ব নেয়ার পর কক্সবাজার পৌরসভায় প্রথমবারের মতো ১৬টি আধুনিক ঢাকনাযুক্ত কন্টেইনার উদ্বোধন করেন মেয়র মুজিবুর রহমান।

এছাড়াও ওয়ার্ড কেন্দ্রিক ১৪ জন সুপারভাইজার লেবার-সুইপারদের দৈনন্দিন কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করেন।