মেসি-কৌতিনিয়োর গোলে জয়ে শুরু বার্সার

লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরুর ম্যাচে জোড়া গোল করলেন লিওনেল মেসি। সঙ্গে জালের দেখা পেলেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো। দেপোর্তিভো আলাভেসকে সহজে হারিয়ে শুভ সূচনা পেল এরনেস্তো ভালভেরদের দল।

কাম্প নউয়ে শনিবার রাতে বার্সেলোনার ৩-০ ব্যবধানের জয়ে তিনটি গোলই হয় দ্বিতীয়ার্ধে। পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলারের দুটি প্রচেষ্টা পোস্টে না লাগলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারতো।

গত মৌসুমের লিগ চ্যাম্পিয়ন ও গত সপ্তাহে সেভিয়াকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপ জেতা বার্সেলোনাকে ম্যাচের আগে ‘গার্ড অব অনার’ দেয় আলাভেস।

ম্যাচের শুরু থেকে একচেটিয়া বল দখলে রাখা বার্সেলোনা প্রথমার্ধে গোলের উদ্দেশে মোট ১১টি শট নেই। যার মাত্র দুটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে বল পেতেই লড়তে হয় অতিথিদের।

গোল হতে পারতো তৃতীয় মিনিটেই; কিন্তু দুরূহ কোণ থেকে মেসির শট অল্পের জন্য হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট। আর ৩৮তম মিনিটে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের নেওয়া ফ্রি-কিক ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে জেরার্দ পিকের হেড উপর দিয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধেও অধিকাংশ সময় বল দখলে রাখা বার্সেলোনা গোলের দেখা পায় ৬৪তম মিনিটে। নিচু ফ্রি-কিকে সামনে লাফিয়ে ওঠা খেলোয়াড়দের নিচ দিয়ে বল জালে পাঠান মেসি।

লা লিগায় কাতালান ক্লাবটির এটি ৬ হাজারতম গোল। ২০০৯ সালে পাঁচ হাজারতম গোলটিও এসেছিল মেসির পা থেকে।

দুই মিনিট পর দ্বিতীয় গোলও পেয়ে যেতে পারতেন মেসি। কিন্তু সুয়ারেসের বাড়ানো বল ধরে অধিনায়কের নেওয়া শট ফের পোস্টে বাধা পায়।

৮৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বদলি নামা কৌতিনিয়ো। স্বদেশি মিডফিল্ডার আর্থারের পাস পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে এক জনকে কাটিয়ে জায়গা বানিয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।

যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন মেসি। লুইস সুয়ারেসের উঁচু করে বাড়ানো বল ডি-বক্সে বুক দিয়ে নামিয়ে এক জনকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে পোস্ট ঘেঁষে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।