সৌদিয়া ও এস.আলমের ৪টি বাস ভাংচুর করলো এক যুবক, রাবার বুলেট ছুঁড়ে আটক

কক্সবাজার শহরের লালদীঘির পাড় এলাকায় যাত্রার জন্য অপেক্ষমান ৪টি যাত্রীবাহী বাস ভাংচুর করেছে এক যুবক। ওই যুবক লোহার রড দিয়ে এস.আলম পরিবহণের ৩টি ও সৌদিয়া পরিবহণের একটি এসি বাসে ভাংচুর চালায়। ওই সময় সৌদিয়া পরিবহণের একটি বাসে আগুন দেয়ারও চেষ্টা করা হয়।

পরে পুলিশ এসে ওই যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ওই এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মোহাম্মদ জাহিদ (৪২) নামের ওই যুবক লালদীঘির পূর্বপাড়ের এম. রহমান সিটি সেন্টারের মালিক মরহুম মুফিজুর রহমান কন্ট্রাক্টরের ছেলে।

শনিবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন, ওই যুবক পুলিশকেও ছুরি নিয়ে ধাওয়া দেয়। পরে ৪ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়ে তাকে থামানো হয়। পরে আটক করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

এই ঘটনায় পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সৌদিয়া পরিবহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিরুপম পাল নীরু ও এস. আলম পরিবহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম সাংবাদিকদের বাস ভাংচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সৌদিয়া পরিবহণের নিরুপম বড়–য়া নীরু জানান, সকালে একজন লোক এসে গাড়ি ভাংচুর শুরু করে। ওই লোকে বাসে আগুন লাগানোর চেষ্টা করলে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

তিনি দাবি করেন, ঘটনায় ওই একজনই জড়িত রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাহিদ নামের ওই যুবক গাড়ি ভাংচুর শুরু করলে পুলিশ এসে তাকে আটকের চেষ্টা চালায়। কিন্তু সে ছুরি নিয়ে পুলিশকে তাড়া করে। ওই সময় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে রাবার বুলেট ছুঁড়ে তাকে আটক করা হয়।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন, পুলিশ এক ব্যক্তিকে আহতাবস্থায় হাসপাতালে এনে ভর্তি করেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দীন খন্দকারের দাপ্তরিক মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।