প্রশাসনের অভিযান, একজন আটক

অবৈধ দখল করে সরকারী জলাধার ভরাট

অবৈধ দখল করে সরকারী জলাধার ভরাট

অবৈধ দখল করে সরকারী জলাধার ভরাট

কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাট এলাকায় সরকারী জমি দখল করে জলাধার ভরাট করছে সংজ্ঞবদ্ধ একটি সিন্ডিকেট। গত এক সপ্তাহ ধরে ওই সিন্ডিকেটটি প্রায় দুই একর সরকারী জলাধার দখল করে ভরাট করছে। ভরাটকৃত জমিতে ইতোমধ্যে কয়েকটি স্থাপনাও নির্মাণ করা হয়েছে।

এদিকে ১৮ মার্চ দুপুরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে দখলদারদের উচ্ছেদ করে প্রায় দুই একর জমি সরকারের দখলে নিয়েছে প্রশাসন। এছাড়াও অবৈধ ভাবে নির্মিত একটি বহুতল কাঠের স্থাপনা সীলগালা করে দেয়া হয়েছে। অভিযানের সময় সবুজ (৩৮) নামের এক দখলদারকে আটক করা হয়েছে।

এলাকাবাসি ও উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানান, শহরের কস্তুরাঘাট এলাকায় বাকঁখালী নদীর তীরে প্যারাবনবেষ্টিত প্রায় দুই একর জলাধার সংজ্ঞবদ্ধ একটি সিন্ডিকেট অবৈধ ভাবে দখল করে নিয়েছে। তারা ওই জলাধারটি পর্যায়ক্রমে ভরাট করে বিভিন্ন স্থাপনাও নির্মাণ করছে।

সূত্র মতে, ওই জলাধার ভরাট করতে ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে কয়েক’শ গাছ। অথচ এই গাছগুলো বিভিন্ন দূর্যোগে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিয়ে আসছে। সরকারী এই জমি দখলে সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে হান্নান, সবুজ ও জসিম নামের তিন ব্যক্তি।

এ প্রসঙ্গে দখলদার হান্নান বলেন, ‘জমিটি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। সুতরাং অবৈধ ভাবে দখল করার প্রশ্নই আসে না।’

অবৈধ দখল করে সরকারী জলাধার ভরাট

কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ওই সিন্ডিকেটটি প্রায় দুই একর সরকারী জমি দখল করে জলাধার ভরাটের কাজ করছিলেন এবং ভরাট করা জমিতে কয়েকটি স্থাপনাও নির্মাণ করেছে। তাই খবর পেয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ভাবে দখল করা জমিটি দখলদারদের উচ্ছেদ করে লাল পতাকা দিয়ে সরকারের দখলে নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অভিযানের সময় অবৈধ ভাবে নির্মিত একটি বহুতল স্থাপনা সীলগালা করে দেয়ার পাশাপাশি এক দখলদারকে আটক করা হয়েছে।’

অভিযোগ রয়েছে, এই দখলদার সিন্ডিকেটটি দীর্ঘদিন ধরে বাঁকখালী নদী দখল করে প্যারাবন কেটে চিংড়ি ঘেরসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে উচ্ছেদ করা হয়েছিল।