‘খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে আপিল, লিগ্যাল টিমের সুপারিশের অপেক্ষায় দুদক’

‘খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে আপিল, লিগ্যাল টিমের সুপারিশের অপেক্ষায় দুদক’

‘খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে আপিল, লিগ্যাল টিমের সুপারিশের অপেক্ষায় দুদক’

‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে আপিল করবে কিনা, সে সিদ্ধান্তের জন্য দুদক লিগ্যাল টিমের সুপারিশের অপেক্ষায় দুর্নীতি দমন কমিশন’ বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

শুক্রবার সকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিস্তারিত আসছে …

ইকবাল মাহমুদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
জনাব ইকবাল মাহমুদ ১৯৫৫ সালে চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেছেন। তার পিতা মোঃ আবদুল লতিফ একজন আদর্শ স্কুল শিক্ষক ছিলেন। জনাব মাহমুদের স্কুল জীবন কেটেছে সাতক্ষীরায় আশাশুনি হাইস্কুলে। এ স্কুল হতে তিনি ১৯৭২ সালে এসএসসি এবং নটরডেম কলেজ হতে ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে লোকপ্রশাসনে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮০ সালে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে তিনি সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। ২০০২ সালে নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স অফ পলিসি স্টাডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনে তিনি বহু স্থানে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। জনাব মাহমুদের উল্লেখযোগ্য চাকরিক্ষেত্র হচ্ছে উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মন্ত্রি পরিষদের সিনিয়র সহকারী সচিব, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সিভিল এ্যাফেয়ার্স অফিসার, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির উপ-পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক প্রভৃতি।

২ মে, ১৯৯৯ সালে তিনি গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-সচিব এবং ২০০৪ সালের অক্টোবরে তিনি জাইকার উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৫ সালে মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং ২০০৬ সালে অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি পেয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং ২০০৭ সালে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব থাকা অবস্থায় ২০০৮ সালের জুন মাসে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হন ইকবাল মাহমুদ।

২০০৯ সালে তিনি সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের (বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়) সচিব নিযুক্ত হন। এরপর ২০১২ সালে সরকার ‘সিনিয়র সচিব’ নামে নতুন পদ সৃষ্টি করলে আরও সাতজনের সঙ্গে ইকবাল মাহমুদও ওই পদ লাভ করেন। তখন তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। একই বছরের নভেম্বরে তাকে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) বিকল্প নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যান ইকবাল মাহমুদ। অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা অবস্থায় ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে তাকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

সরকারের এই সৃজনশীল কর্মকর্তা উল্লেখিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে সরকারের মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক, আইসিডিডিআরবি’র বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য, আইডিসিওএল এর চেয়ারম্যান, আইআইএফসি এর চেয়ারম্যান, টেলিটক এর চেয়ারম্যান, বিটিসিএল এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী লিঃ এর চেয়ারম্যান এবং সোনালী ব্যাংক ও বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংকের বোর্ড সদস্য হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যক্তি জীবনে তিনি ১ পুত্র ও ১ কন্যার জনক। তার সহধর্মিণী ডাঃ খাদিজা বেগম একজন চিকিৎসক, বর্তমানে তিনি আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া ডেভিস এ চাকরি করছেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!