চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত তিনজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিবাদমান পক্ষ দুটি হলো মেয়র নাছির সমর্থিত সকল গ্রুপ ও নওফেল সমর্থিত সিএফসি গ্রুপ। আহতরা হলেন, সিএফসি গ্রুপের সায়ন অমিত ও লিটন পালিত এবং সিক্সটি নাইন গ্রুপের তানজিল হৃদয়।

সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে নাছির সমর্থিত একাকার গ্রুপের সাথে নওফেল সমর্থিত সিএফসি গ্রুপের উত্তেজনা চলছিল। বিকেল ৪টার দিকে নাছির সমর্থিত সকল গ্রুপ একত্র হয়ে সিএফসির সাথে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয়পক্ষের তিনজন আহত হয়। বর্তমানে নাছির গ্রুপ শাহজালাল হলে এবং সিএফসি গ্রুপ শাহ আমানত হলে অবস্থান নিয়েছে।

এ বিষয়ে প্রক্টর লিটন মিত্র জানান, ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিলো। বর্তমানে পুলিশের সহযোগিতায় প্রক্টোরিয়াল বডির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

এরআগে শনিবার (২১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আবাসিক হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিন জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শফিকুল ইসলাম মিরাজ, শাওন ও লিটন রায়। এদের মধ্যে মিরাজ ও শাওন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্তি কমিটির সভাপতি আলমগীর টিপু ও বগি ভিত্তিক গ্রুপ সিক্সটি নাইনের কর্মী। অন্যদিকে আহত লিটন রায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্তি কমিটির সহ-সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও বগি ভিত্তিক গ্রুপ সিএফসি এর কর্মী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত বলে জানা যায়।

শিক্ষার্থী ও পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শাহ আমানত হলের একটি সিট দখলকে কেন্দ্র করে শাওন নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বগি ভিত্তিক সংগঠন সিএফসি গ্রুপের কয়েকজন কর্মীরা। এই ঘটনার জের ধরে রাত ৯টার দিকে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় দু‘গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল ছুড়াছুড়ি হয়। পাশাপাশি তাদেরকে দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিতেও দেখা যায়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে উভয় গ্রুপের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া দিয়ে হলের ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, আমাদের আসার আগে ছাত্রদের মধ্যে সামান্য ইট পাটকেল ছুড়াছুড়ি হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের রয়েছে।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!