বিল্লাল ও রহমতকে দেখে চমকে উঠে সাফাত-সাদমান

বিল্লাল ও রহমতকে দেখে চমকে উঠে সাফাত-সাদমান

বিল্লাল ও রহমতকে দেখে চমকে উঠে সাফাত-সাদমান

বনানীতে দুই তরুণী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলীকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে দেখে চমকে উঠে সাফাত ও সাদমান।

গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলীর রিমান্ড মঞ্জুর শেষে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া্ হয়। ওই সময় সাফাত ও সাদমান ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি কক্ষে ছিল। বিল্লাল ও রহমতকে দেখে তারা চমকে ওঠে। সেখানে তাদের মধ্যে কিছু কথাও হয়েছে। এরপর তাদের আলাদা কক্ষে নেওয়া হয়। চারজন যখন মুখোমুখি অবস্থায় ছিল তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার রাতে আরেক দফা চার আসামিকে মুখোমুখি করার কথা ছিল। গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সাফাত ও সাদমানকে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে বিল্লাল র্যা বের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে। সে দাবি করেছে, ধর্ষণের ঘটনায় সাফাতরা সবাই জড়িত রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পরিদর্শক ইসমত আরা অ্যানি ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর হাকিম লস্কার সোহেল রানা বিল্লালকে চার দিন ও রহমতকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে দ্য রেইনট্রি কর্তৃপক্ষ ঘটনার বেশকিছুদিন পর সংবাদ সম্মেলন করলেও অনেক প্রশ্নের উত্তর দেয়নি। এ ছাড়া রাজধানীসহ সারা দেশে ধর্ষিতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শককে চিঠি পাঠাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

মামলার নয় দিন পর সোমবার রাতে ঢাকার নবাবপুর রোডের একটি হোটেল থেকে বিল্লালকে এবং গুলশান থেকে রহমতকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। এর পাঁচ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে মামলার আসামি সাদমান শাকিফকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সাদমান পিকাসো রেস্তোরাঁ ভবনের মালিক ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে। মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে নাঈম আশরাফ ওরফে হাসান মোহাম্মদ হালিম এখনো পলাতক।