ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন সাফাত ও সাদমান

ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন সাফাত ও সাদমান

ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন সাফাত ও সাদমান

রাজধানী বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিব।

শুক্রবার সকালে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ নাজমুল আলম বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। দুপুরের পর আদালতে পাঠানো হবে।

নাজমুল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তবে সেটি উভয়ের সম্মতিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন আসামিরা। তিনি বলেন, পুলিশ অধিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন পাঠানতুলা এলাকার রশীদ ভিলার দ্বিতীয় তলা থেকে সাফাত ও সাদমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের নিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ। এরপর ডিবিতে হস্তান্তর করে।

সিলেট মহানগর পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে জানায়, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ঢাকার গোয়েন্দা দল সাফাত ও তার সহযোগীদের সম্পর্কে তথ্য দেয়। এর ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ ও সিলেট জেলা মহানগর পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়।

এদিকে নাঈম আশরাফসহ ধর্ষণ মামলার অন্য আসামিরা যাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যেতে না পারে সেজন্য সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

গত ৬ মে বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন দুই তরুণী। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই তরুণীকে জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয়।

ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলেন- সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।