জিদানেরই বিশ্বাস হচ্ছে না!

জিদানেরই বিশ্বাস হচ্ছে না!

জিদানেরই বিশ্বাস হচ্ছে না!

মুহূর্তটা স্মৃতির মণিকোঠায় সাজিয়ে রাখবেন করিম বেনজিমা। একে নগরপ্রতিপক্ষ অ্যাতলেতিকোর মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচ, এর ওপর আবার চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের লড়াই। অ্যাতলেতিকোর শক্তিশালী রক্ষণ ভেঙে বল নিয়ে যেভাবে বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েছিলেন ফরাসি স্ট্রাইকার, দৃশ্যটা বিশ্বাস করতে পারছেন না স্বয়ং রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জিনেদিন জিদান। অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে বক্সের ভেতর থেকে বেনজিমার বাড়ানো ক্রস থেকেই গোল পায় রিয়াল।

ইসকোর দেওয়া ওই গোলের পরও ম্যাচটি রিয়ালকে হারতে হয়েছে ২-১ ব্যবধানে। তবু দুই লেগ মিলিয়ে ৪-২ অগ্রগামিতায় ফাইনাল নিশ্চিত করে ‘লস ব্লাঙ্কোস’। বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তের ওই গোলের আগে ১৬ মিনিটে ঝড়ে অ্যাতলেতিকো এগিয়ে গিয়েছিল ২-০ গোলে। মানে আর একবার বল জালে জড়াতে পারলেই সান্তিয়াগো বার্নাব্যু থেকে ৩-০ গোলের হারের ব্যবধানটা মিলিয়ে দিতো ডিয়েগো সিমিওনের দল।

চাপে পড়া রিয়ালকে উদ্ধার করেন বেনজিমা। বাঁ প্রান্তে ফরাসি স্ট্রাইকার যখন বল পেলেন, ততক্ষণে অ্যাতলেতিকোর তিন ডিফেন্ডার ঘিরে ফেলেছে তাকে। কর্নার থেকে পার্শ্বরেখা বরাবর প্রতিপক্ষের তিন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে বক্সের ভেতর ক্রস করেন বেনজিমা। অতিমানবীয় ওই মুহূর্ত বিশ্বাসই হচ্ছিল না কোচ জিদানের, ‘আমি ঠিক বলতে পারব না কীভাবে কর্নার থেকে বল নিয়ে ঢুকে পড়ল বেনজিমা। সত্যি বলছি আমি মনে করতে পারছি না কীভাবে অত খেলোয়াড়কে ফাঁকি দিয়ে কাজটা করল সে।’

গোল না পেলেও তাই চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের নায়ক বেনজিমা। তাতে কিছুটা হলেও সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে পেরেছেন তিনি।