বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রাজধানীর বনানীতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলার আসামিরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে ব্যাপারে ইমিগ্রেশন পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি।

ইমিগ্রেশন পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইমিগ্রেশন পুলিশের নাম প্রকাশে না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, ধর্ষণের ওই ঘটনায় কোনো আসামি যাতে পালাতে না পারে সেজন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা পেয়েছি। কেউ যাতে পালাতে না পারে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার বিকেল থেকে ডিএমপির নির্দেশনায় বিমানবন্দরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে সোমাবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনারের কক্ষে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি, উত্তর) উপ-কমিশনার শেখ নাজমুল আলম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বনানীতে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিদের অবস্থান সনাক্ত করা গেছে। আসামিরা যত প্রভাবশালীই হোক না তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

ধর্ষণে অভিযুক্তরা প্রভাবশালী পরিবারের। তাদের প্রভাবে মামলার তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত হতে পারে বলে অভিযোগ ভিকটিম পরিবারে। এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবি উত্তরের এ ডিসি বলেন, মামলা হয়েছে। অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ ছায়া তদন্ত করছে। থানা পুলিশ তাদের মতো করে তদন্ত করবে। ডিবি পুলিশও আইন অনুযায়ী আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছে। প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত কেউ পালিয়ে গেছে কিনা সে রকম কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। কেউ পালিয়ে যেতে পারবে না। তারা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে ব্যবস্থাও নেয়া হবে।

মামলার আসামিরা হলেন- সাদনান সাকিফ, তার বন্ধু সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের ড্রাইভার বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী (নাম পাওয়া যায়নি)।