ঈদগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে করোনাকালীন টিউশন ফি আদায়ে মূল্যয়ন পরীক্ষার ফাঁদ!

পিটিআই স্টুডেন্টস কাউন্সিলে সর্বোচ্চ ভোটে কেবিনেট প্রধান তাসমিয়া তাহি

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

ঈদগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে করোনাকালীন সময়ের ১০ মাসের টিউশন ফি আদায়ের কঠোরতায় ঝরে যেতে পারে অসংখ্য অসহায় পরিবারের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এতে ভেঙে পড়বে নিরুপায় পরিবারের উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন। আর জাতি হারাতে বসবে শিক্ষার হার।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সরকার দীর্ঘ সময় ধরে সব শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ ঘোষণা করে। দেশব্যাপী ঘোষণা করা হয়েছিল লকডাউন। কঠিন লকডাউন পরিস্থিতিতে সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও আয়ের উৎস হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। দিশেহারা অভিভাবকরা একযোগে সরকারের প্রতি করোনাকালীন সময়ের টিউশন ফি কমানোর যৌক্তিক দাবি করে আসছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যদি কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবক আর্থিক সংকটে পড়েন, তাহলে তাঁদের সন্তানের টিউশন ফি’র বিষয়টি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে বিশেষ বিবেচনায় নিতে হবে। কিন্তু প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ অসহায় অভিভাবকদের অনুরোধ রক্ষা করছে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা আছে, কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন কোনো কারণে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যত্নশীল হতে হবে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরকারি নির্দেশনা দেখে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদুল জান্নাতকে ফোনে বলে দিচ্ছেন বলে আশ্বস্থ করেন।

ঈদগাঁও আদর্শ উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার মোবাইলে একাধিকবার কথা বলতে চাইলেও তিনি খুবই ব্যস্ত আছেন বলে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এদিকে অসহায় অসংখ্য শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা দু’বেলা ভাত খেতে পারছেন না, সে অবস্থায় কিভাবে বিগত ১০ মাসের টিউশন ফি বাবদ ২/৩ হাজার টাকা আদায় করতে প্রতিষ্টানটি নতুন ফাঁদ পেতেছে?

তাদের মতে, মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে মরার উপর খাড়ার ঘা পরীক্ষা ফি’র নামে অতিরিক্ত আরও ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। যারা বকেয়া টিউশন ফি এবং পরীক্ষা ফি আদায় করতে পারছেন না, ওই সব শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেয়ায় তারা চোখের পানি ফেলে বাড়ি ফিরছে।

সচেতন জনসাধারণ গরীব শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!