৭০০ একর বনভূমি লীজ পেতে সরকারকে ভুল তথ্য দিয়েছেন আমলারা

ইমাম খাইর
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

সরকারকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রশাসন একাডেমির নামে কক্সবাজার সমুদ্র পাড়ের ৭০০ একর বনভূমি লীজ নিয়েছেন আমলারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও আগত কোটি পর্যটকের বিশুদ্ধ অক্সিজেন একমাত্র উৎস এই বনভূমি। পরিবেশ প্রকৃতির ফুসফুস বরাদ্দ বাতিল চাই।

শত প্রজাতির বৃক্ষ, পাক-পাখালী ও বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্যে কোন স্থাপনা করতে দেওয়া হবে না।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের সভাপতি আ ন ম হেলাল উদ্দিন এসব কথা তুলে ধরেন।

কক্সবাজার সৈকত সংলগ্ন ৭০০ একর বনভূমি লীজের কার্যক্রম মহামান্য হাইকোর্টে স্থগিতাদেশের পর করণীয় বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আ ন ম হেলাল উদ্দিন বলেন, কক্সবাজারকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। কক্সবাজার সম্পর্কে তিনি যথেষ্ট পজিটিভ। কিন্তু স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তথ্য গোপন করে সংরক্ষিত বনভূমি লীজ নেওয়া হয়েছে। যা ভবিষ্যতে প্রজন্মের নিকট প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল।

তিনি বলেন, ৭০০ একর পাহাড় লীজ বাতিল চেয়ে গত ১১ অক্টোবর আমরা উচ্চ আদালতে রিট করি। শুনানি শেষে বনভূমি বরাদ্দ ৩ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান মিয়া ও মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লার অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ। সেই সঙ্গে ৪ জন সচিবকে শোকজ করা হয়েছে। এই অর্জন ধরে রাখতে হবে।

উচ্চ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে লড়তে ৭০০ একর পাহাড় লীজ গ্রহণরীরা আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কক্সবাজারের পরিবেশ প্রকৃতির স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আনোয়ারুল হক, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মমতাজ উদ্দিন বাহারি, দৈনিক বাঁকখালীর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি রুহুল আমিন সিকদার, পরিবেশ সংগঠক সমীর পাল, সফিনা আজিম, আবদুল মতিন আজাদ।

এ সময় কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের সদস্য ইকরাম চৌধুরী টিপু, মোরশেদুর রহমান খোকন, কামরুল হাসান, ইমাম খাইরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!