সিলেট থেকে ঢাকায় এনে ডিবি কার্যালয়ে সাফাত-সাদমান

চেহারা পরিবর্তন করে গোপনে ভারতে পালাতে চেয়েছিল সাফাত-সাদমান

চেহারা পরিবর্তন করে গোপনে ভারতে পালাতে চেয়েছিল সাফাত-সাদমান

রাজধানীর বনানীতে একটি আবাসিক হোটেলে দুই তরুণী ধর্ষণের ঘটনার মামলায় সিলেটে গ্রেফতার সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে ঢাকায় আনা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) হেফাজতে তাদের গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাবাসাবাদ শেষেই তাদের আজই ঢাকা মহানগর হাকিমের আদালতে নেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) উপ-কমিশনার(ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন শুক্রবার সকালে বলেন, গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত ধর্ষককে সিলেট থেকে ঢাকায় আনা রয়েছে রাতেই। বনানীতে দুই শিক্ষার্থীর ধর্ষণ মামলাটি মঙ্গলবার সকালেই আমাদের কাছে ন্যস্ত করা হয়। তাই ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের তত্ত্বাবধানে তাদের দুজনকেই গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। সেখানে জিজ্ঞাবাসাদ করা হবে তাদের।

ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের অপর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজই আদালতে নেয়া হতে পারে। এরপর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও আরেক আসামি সাদমান সাকিফকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেটে গ্রেফতার করা হয়। সাফাত ও সাদমান সিলেটে তাদের এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।

সাফাত (২৬) আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে এবং সাদমান (২৪) পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ বন্ধুর সঙ্গে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন দুই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী। ওই ঘটনায় গত ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় অভিযুক্ত সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তারা। মামলার পর থেকেই পলাতক ছিলেন আসামিরা।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!