শুস্ক মৌসুমের আদিনাথ মন্দিরের দেয়ালের নির্মাণ কাজ বর্ষা মৌসুমে?

শুস্ক মৌসুমের আদিনাথ মন্দিরের দেয়ালের নির্মাণ কাজ বর্ষা মৌসুমে?

নিজস্ব প্রতিবেদক, মহেশখালী
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান হিসেবে এশিয়া মহাদেশে খ্যাত মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরটি পাহাড়ের ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে মাস তিয়েক আগে ‘আদিনাথ মন্দির সংলগ্ন পাহাড়ের নিচে ডিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ প্রকল্প’ নামে একটি দরপত্রও আহবান করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ওেই সময় এই প্রকল্পের ঠিকাদারি পায় মোহাম্মদীয়া কনস্ট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হলেন কক্সবাজারে বসবাসকারী জুনাঈদ আহমদ। তিনি ১০ শতাংশ কম মূল্য দেখিয়ে প্রকল্পটির কাজ বাগিয়ে নেন এবং ২০ শতাংশ লাভে উপ-টিকাদারি দেন।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, যথাসময়ে প্রকল্পের কাজটি শেষ না করে ইতোমধ্যেই একাধিকবার তা উপ-ঠিকাদারি দেয়া হয়।

সুত্র মতে, এটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে প্রায় ৭২ লাখ টাকার একটি প্রকল্প, যা এশিয়া মহাদেশে খ্যাত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান ঐতিহ্যবাহী আদিনাথ মন্দির সংলগ্ন ডিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, এই প্রকল্প নিয়ে কেন এতো অবহেলা! এই প্রকল্পের কাজ শুরু করার কথা ছিল প্রায় তিন মাস আগে শুস্ক মৌসুমে, অর্থাৎ সুদিনের সময়ে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় যথাসময়ে কাজ শুরু না করে জুন মাসে বিল উত্তোলের ‘অভিনব কৌশল’ হিসেবে এখন তড়িগড়ি করে গত কয়েকদিন আগে কাজ শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, আদিনাথ মন্দির পাহাড়ের পাদদেশে বর্ষা মৌসুমে কাজ শুরু করায় এবং বৃষ্টির দিনে এস্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটার ফলে পাহাড় ভেঙ্গে পড়তে পারে।

প্রায় ১৬২ ফুট দৈর্ঘ্যের এই ডিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের কাজটি শুস্ক মৌসুমে শুরু না করে কেন বর্ষা মৌসুমে করা হচ্ছে, এই এখন অনেকের।

এ ব্যাপারে তদন্তপূর্বক সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!