মাতামুহুরী নদীর পানি এখন ‘বিপদসীমা’র ‍উপরে!

মাতামুহুরী নদীর পানি এখন ‘বিপদসীমা’র ‍উপরে!

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

সোমবার ও মঙ্গলবার (২৬ ও ২৭ জুলাই) দুইদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দুই কূল উপচিয়ে গ্রামীণ এলাকায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে ঢলের পানি।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আশংকা, এভাবে পানি বাড়তে থাকলে রাতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে। টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কাও করা হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ৯টার দিকে মাতামুহুরী নদীর পানি ১৫-২০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। তবে এখনও কোন বাড়িতে পানি উঠার খবর পাওয়া যায়নি। এভাবে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে পাহাড়ি পানি নেমে আসতে থাকলে মধ্যরাতের পর গ্রামীন সড়কগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়বে বেশকিছূ গ্রামের মানুষ।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কাইছার বলেন, ‘আমার এলাকায় এখনও বন্যার পানি প্রবেশ করেনি। রাতে মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মক্কি ইকবাল বলেন, ‘মাতামুহুরী নদীর পানি ৫টি ওয়ার্ডের কিছু কিছু এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আরও এলাকা প্লাবিত হতে পারে।’

চিরিংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমার এলাকায় মাতামুহুরী নদীর পানি ঢুকতে শুরু করেছে। যেহেতু আমার এলাকায় মৎস্য ঘের বেশি। যদি রাতে ঢলের পানি পুরোদমে ঢুকতে শুরু করে, তবে মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ‘টানা বৃষ্টি ও মাতামুহুরীর নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছি। এছাড়াও পাহাড়ে বসবাসরতদের সরিয়ে আনার জন্যও কাজ করছি।’

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!