দুবাই প্রবাসীর ২৫ লাখ টাকা মেরে পালিয়ে আসলো নোয়াখালীর যুবক

প্রধান প্রতিবেদক
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

প্রায় ১০ বছর এক সাথে কাটিয়ে বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে মহেশখালীর এক প্রবাসীর কাছ থেকে ৭৫ হাজার দিরহাম নিয়ে পালিয়ে এসেছেন নোয়াখালীর ছোটন চন্দ্র দাশ নামে এক যুবক। এছাড়াও দুবাই প্রবাসীদের গড়ে তোলা একটি সমিতির জমা হওয়া ৫০ হাজার দিরহামও আত্মসাৎ করেছে ওই যুবক। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের টাকায় তা প্রায় ২৫ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে।

এমনই অভিযোগ তুলেছেন কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর পৌরসভা এলাকার মৃত ফরিদুল আলমের ছেলে মো. শহিদুল আলম তৌফিক নামে এক প্রবাসী।

এই প্রবাসী জানান, দুবাই শহরের ‘সুফিয়া লেডিস ট্রেইলার্স’ নামে তার মালিকানাধীন দোকানে গত ১০ বছর ধরে চাকরি করছিল নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার মুজাহিদপুর গ্রামের নাজিরপুর এলাকার অরুনচন্দ্র দাশের ছেলে ছোটন চন্দ্র দাশ। প্রায় ১০ বছর একই দোকানে কাজ করে বিশ্বস্ততা দেখিয়েছিল ওই যুবক।

শহিদুল ইসলাম তৌফিকের দাবি, সম্প্রতি তিনি দোকানে মালিক না থাকার সুযোগে দোকানের মালামাল বিক্রির টাকা ও দোকান ভাড়া বাবদ ক্যাশে থাকা স্বাক্ষর করা চেকসহ ৭৫ হাজার দিরহাম নিয়ে পালিয়ে যায় ছোটন চন্দ্র দাশ।

দুবাইতে তার অনেক সন্ধান করেও পাওয়া যায়নি। পরে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে বলে খবর পান দোকান মালিক তৌফিক।

দুবাই প্রবাসীর ২৫ লাখ টাকা মেরে পালিয়ে আসলো নোয়াখালীর যুবক

এদিকে ছোটন চন্দ্র দাশ পালিয়ে আসার খবর জানাজানি হলে বেরিয়ে আসে সেখানে প্রবাসীদের গড়ে তোলা একটি সমিতির ৫০ হাজার দিরহাম অর্থও আত্মসাৎ করে নিয়ে এসেছে ওই দোকান কর্মচারী ছোটন।

মহেশখালীর প্রবাসী যুবক তৌফিক অভিযোগ করে বলেন, নোয়াখালীর ওই যুবক দুবাই থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা মেরে পালিয়ে আসার পর অনেক কঠিন উপায়ে মোবাইলে যোগাযোগ করেছিলাম। নোয়াখালীর ওই দোকান কর্মচারী টাকাসহ দুবাইতে ফিরে যাওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিল দোকান মালিককে। এরপর থেকে কোন ধরণের যোগাযোগ করতে পারছেন না দোকান মালিক তৌফিক।

তিনি এই বিষয়ে নোয়াখালীর স্থানীয় প্রশাসন ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে সহযোগিতার পাশাপাশি যাতে ছোটন চন্দ্র দাশ বাংলাদেশ ত্যাগ করতে না পারে তার জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন শহিদুল আলম তৌফিক।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!