টেকনাফের প্রথম করোনা রোগী কাঁচা আম ব্যবসায়ি

কক্সবাজারে আজও ২৪ জনের করোনা টেষ্ট, রিপোর্ট সবারই ‘নেগেটিভ’

নুরুল হক, টেকনাফ
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে প্রথম কাঁচা আম ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে তার শরীরে করোনা ‘পজিটিভ’ ধরা পড়ে। গত শনিবার তার নমুনা সংগ্রহ করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি টিম।

তবে রোববার কক্সবাজার জেলায় ৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তৎমধ্যে মহেশখালীর ৩ জন ও টেকনাফের একজনসহ ৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, টেকনাফের মো. হোসেন নামক এক আম ব্যবসায়ীর শরীরে করোনা পজোটিভ শনাক্ত হয়েছে। তার বাড়ী বাহারছড়া ইউনিয়নের মারিশবনিয়া এলাকায়।

তবে শারিরিক অবস্থা ভাল রয়েছে। তাকে আইসোলেশনে রাখার জন্য কক্সবাজার সদরে পাঠানো হয়েছে। তার বাড়ি ও আশপাশের এলাকা লকডাউন এবং সংস্পর্শে থাকা লোকজনদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, টেকনাফ উপজেলা থেকে এই পর্যন্ত ৬৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে একজনের পজেটিভ ও ৬১ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আরো ২ জনের রিপোট এখনো পাওয়া যায়নি।

এদিকে কক্সবাজারে লকডাউনের মাঝে টেকনাফ থেকে কাঁচা আম, পান ও লবণের গাড়ি চলাচল করে আসছিল। এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছিল। এলাকার সচেতন মহল বিযয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরেও দিয়েছিলো। কিন্তু কেউ কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি।

এ বিষয়ে বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) লিয়াকত আলী বলেন, কাঁচা আম, পান এমন কোন খাদ্য নয় যে, যা মানুষের জীবনের জন্য অবশ্য দরকারী। কয়েকবার এসব পরিবহণে বাধা দিয়েছি। কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কারণে সরে আসতে বাধ্য হয়েছি।

তবে কে বা কার শৈতল্যে এসব পণ্য নিয়ে গাড়ী যাতায়াত করেছে- এমন প্রশ্ন অনেকের মাঝে ঘুরপাক খাচেছ?

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!