কক্সবাজার শহরের কালাম ও টেকনাফের হোসেনের শরীরে এখনও করোনা ‘পজিটিভ’

কক্সবাজারে আজও ২৪ জনের করোনা টেষ্ট, রিপোর্ট সবারই ‘নেগেটিভ’

আনছার হোসেন
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

কক্সবাজার শহরের করোনা রোগী আবুল কালাম ও টেকনাফের উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়ার মোহাম্মদ হোসেনের শরীরে এখনও রয়ে গেছে করোনাভাইরাসের জীবাণু। প্রথম টেষ্টের এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় দফা টেষ্টেও তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ‘ফলোআপ’ টেষ্টে তাদের দুইজনেরই করোনা ‘পজিটিভ’ এসেছে।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া, কলেজের ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. মো. শাহজাহান নাজির ও কলেজের প্রধান ল্যাব টেকনোলজিষ্ট এটিএম মাইনুল এহসান চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সুত্র মতে, গত ২২ এপ্রিল কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া এলাকার মাছব্যবসায়ী আবুল কালাম ও ২০ এপ্রিল টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের আম ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেনের করোনা ধরা পড়ে। তারপর থেকে তারা রামু ডেডিকেটেড আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সুত্র জানায়, আবুল কালাম ও মোহাম্মদ হোসেন ব্যবসায়িক কাজে ঢাকায় গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ইতোমধ্যে কক্সবাজার শহরে দুইজন ও টেকনাফ উপজেলায় ৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যেই আবুল কালাম ও মোহাম্মদ হোসেনও রয়েছেন।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবটিকে ঢাকাস্থ রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্টান (আইইডিসিআর) করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করেছে। গত পহেলা এপ্রিল থেকে ল্যাবটি চালু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে, প্রথম ৬ দিনে ২৪ জন, ৭ এপ্রিল ২৫, ৮ এপ্রিল ২৪ জন, ৯ এপ্রিল ২৭ জন, ১০ এপ্রিল ৩৭ জন, ১১ এপ্রিল ৯ জন, ১২ এপ্রিল ৩২ জন, ১৩ এপ্রিল ২৪ জন, ১৪ এপ্রিল ৩১ জন, ১৫ এপ্রিল ১৭ জন, ১৬ এপ্রিল ৪১ জন, ১৭ এপ্রিল ৩৯ জন, ১৮ এপ্রিল ১৩ জন, ১৯ এপ্রিল ৬৩ জন, ২০ এপ্রিল ৫১ জন, ২১ এপ্রিল ৪০ জন, ২২ এপ্রিল ৬৪ জন, ২৩ এপ্রিল ৫৩ জন, ২৪ জন ১০১ জন, ২৫ এপ্রিল ১৮ জন, ২৬ এপ্রিল ১০০ জন, ২৭ এপ্রিল ১২২ জন ও ২৮ এপ্রিল ৭৬ জন সন্দেহভাজন রোগীর পরীক্ষা করা হয়েছে এই ল্যাবে। সব মিলিয়ে পরীক্ষা হওয়া রোগী সংখ্যা এখন এক হাজার ৩১ জন। এদের মধ্যে ২২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে।

জেলার প্রথম করোনা রোগীর টেষ্ট হয়েছিল ঢাকাস্থ আইইডিসিআর ল্যাবে। এই রোগীসহ জেলায় ২১ জন ও নাইক্ষ্যংছড়িতে দুইজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। কক্সবাজারের প্রথম রোগী ও নাইক্ষ্যংছড়ির প্রথম রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!