ফেসবুক প্রতিক্রিয়া

এড. ছালামতুল্লাহ : ওনাকে যেমন পেয়েছি এবং দেখেছি ….

এড. ছালামতুল্লাহ : ওনাকে যেমন পেয়েছি এবং দেখেছি ....

মোহাম্মদ সেলিম, পাঠক ও ব্যবসায়ি
কক্সবাজার ভিশন ডটকম

সম্ভবত ৯৫/৯৬’র দিকের ঘটনা। তখন আমি কক্সবাজার বায়তুশ শরফ এতিমখানার আবাসিক ছাত্র। আমার মায়ের হঠাৎ একটি জটিল রোগ ধরা পড়ে। নাক দিয়ে অঝোর ধারায় রক্ত গড়িয়ে পড়তো মায়ের। যা একসাথে কয়েক কেজি পরিমাণ। ছোট ছিলাম বলে সিদ্ধান্ত দেয়া বা নেয়া কোনটাই ছিল না আমার।

বায়তুশ শরফের মহাপরিচালক এম.এম সিরাজুল ইসলামকে সমস্যাটা জানানোর পর তিনি এড. ছালামতুল্লাহর কাছে যেতে বলেন। আমি আর মা ওনার বাসার চেম্বারে গিয়ে ওনাকে মায়ের সমস্যাটা খুলে বলি। তিনি তাঁর প্যাডে একটি পত্র লিখে বলেন- সোজা মরিচ্যা রাবেতা হাসপাতালে চলে যেতে। আমি আর মা কোন রকম গাড়ি ভাড়া জোগাড় করে রাবেতায় পৌঁছি এবং ওনার লিখিত পত্রখানা দেখাই। ওনার লিখিত পত্র পেয়ে মাকে ভর্তি নেয়া হয় হাসপাতালে।

ওখানে আমরা মনে হয় ১৫/২০ দিন ছিলাম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিনাপয়সায় মাকে আন্তরিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে পরিপূর্ণ ভাল করেন আল্লাহর রহমতে। ওখানে যতদিন ছিলাম একটি টাকাও আমাদের খরচ করতে হয়নি।

মওলা, মহান এই মানবতাবাদী, গরীবের প্রকৃত বন্ধু- উকিল সাহেবকে ক্ষমা করে দিও। পাশাপাশি তোমার প্রিয়দের কাতারে শামিল করে নিও। আমীন।

পাঠকের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেয়া

error: Content is protected!! অন্যের নিউজ নিয়ে আর কতদিন! এবার নিজে কিছু লিখতে চেষ্টা করুন!!