হুমকি দিলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের গতি দ্বিগুণ হবে বলে জানালেন ভূমিমন্ত্রী

 

কেউ হুমকি দিলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম দিগুণ গতিতে চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ। তিনি বলেছেন, ‘উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ার পর কেউ কেউ হুমকি দিচ্ছে। কেউ হুমকি দেবে, আর আমরা তা আমলে নেবো –এমন হবে না। হুমকি দিলে উল্টো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের গতি দ্বিগুণ হবে।’

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নগরীর মাঝির ঘাট এলাকায় চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারির (সোমবার) সকাল ১০টায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন।

সাফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ বলেন, ‘শো-অফ বা পাবলিসিটির জন্য উচ্ছেদ নয়। কর্ণফুলীর দুই পাড়ের কোনও অবৈধ স্থাপনা আমরা রাখবো না। অনেকে মনে করছেন, উচ্ছেদ অভিযান হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। নো, এটা হবে না। আমি থাকতে কাজ বন্ধ করতে দেবো না। কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হবে। ’

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীকে ঘিরে যে পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি, সেটা বাস্তবায়ন করা হবে। ভূমি উদ্ধারের পর আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে অনেকে জানতে চাইছেন। আমরা একটু সময় নিয়ে পরিকল্পনা করছি। কর্ণফুলীর তীরে দৃষ্টিনন্দন কিছু স্থাপনা করার ইচ্ছে আছে। এখানে আমরা কয়েকটা পল্টন জেটি নির্মাণের কথা ভাবছি।’

তিনি বলেন, ‘আউটার অ্যাংকারেজে কার্গো নিয়ে অনেক মাদার ভেসেল আসে। এ কার্গোগুলো অনেক সময় সিরিয়ালের কারণে গিটলকে পড়ে যায়। ফলে আমাদের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা নষ্ট হচ্ছে। একটা জাহাজে ২০-২৫ হাজার ডলার ডেমারেজ দিতে হয়। বন্দর জেটি হলে মালামাল উঠানামা সহজ হবে।’

সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীর দখলমুক্ত জায়গা ১ম ধাপে উচ্ছেদ অভিযান শেষ হয়েছে। আমরা যেভাবে টার্গেট নিয়েছিলাম, সেভাবে কাজ শেষ হয়েছে। একইভাবে ২য় ও ৩য় ধাপে উচ্ছেদ অভিযানও শেষ হবে। ১ম ধাপে আমরা ১০ একর জমি দখলমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।’

কক্সবাজার ভিশন.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই পাতার আরও সংবাদ
error: Content is protected !!